সামানিদ ফলকীয় পাত্র: কুফিক লিপির নকশাগত প্রভাব

সামানিদ ফলকীয় পাত্র: কুফিক লিপির নকশাগত প্রভাব

Muslim Post Editorial Desk@muslimpost

নিনিয়াপুর ও আসফরিয়াব থেকে প্রাপ্ত সামানিদ যুগের পাহাড়ি পাত্রগুলোতে কীভাবে আখ্যায়ন এবং টেক্সচারের মাধ্যমে সুন্দর নকশা তৈরি করা হতো।

এই ধরনের বহুমুখী কার্যক্রম নবম থেকে দশম শতকের পূর্বাঞ্চলীয় ইরান ও মধ্য এশিয়ায় প্রচলিত ছিল, যেখানে কোনো চিত্রাঙ্কন ছাড়াই শুধুমাত্র গাঢ় স্লিপের আখ্যায়ন ও সুদৃশ্য ফন্টের মাধ্যমে পাত্রের মুখমণ্ডল অলংকৃত করা হতো।

প্রচ্ছদের ছবিটি এআই-সহায়তায় নির্মিত মৌলিক ঐতিহাসিক পুনর্গঠন; এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা, কর্মশালা বা বস্তুর আলোকচিত্র নয়।

উপাদান, নির্মাণ ও ব্যবহার

কারিগররা লাইট কালারের স্লিপ ও ভূমিতে গাঢ় রঙ ব্যবহার করতেন এবং স্বচ্ছ গ্লাইজ দিয়ে আবদ্ধ করতেন, যা পোর্সেলেন ছাড়াই মূল্যবান কাগজে কালির দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছিল। আখ্যায়নের বর্ণের মাঝে ফাঁকা জায়গাগুলো খাদ্যাভ্যাস ও শান্তির প্রতীক ছিল।

সঠিকভাবে কীভাবে চিনবেন

নিনিয়াপুর থেকে উদ্ধারকৃত পাহাড়ি পাত্রগুলো ইংরেজি অনুবাদ বা স্টাইল দ্বারা আলাদা হতে পারে। নমুনার প্রমাণ ছাড়াই কোনো বস্তুকে একক নগর বা রাজবংশের সাথে যুক্ত করা উচিত নয়; বরং এটি একটি ঐতিহাসিক শ্রেণিবিন্যাস হিসেবে গণ্য করতে হবে।

তথ্যসূত্র