
মামলুক মসজিদের বাতি: এনামেল কাচ কীভাবে আলো ধারণ ও রূপ দিত
মামলুক কাচশিল্পীরা কীভাবে বাতি ফুঁ দিয়ে গড়ে এনামেল ও সোনা লাগিয়ে ঝুলাতেন এবং ভেতরের তেল-পানির পাত্র ও ভাসমান সলতে কীভাবে জ্বলত।
চতুর্দশ শতকের মিশর ও সিরিয়ার মসজিদ, মাদ্রাসা ও সমাধিতে সারি সারি কাচের পাত্র ঝুলত। ফোলা দেহ, প্রশস্ত গলা ও চেনের হাতলে শিলালিপি ও দাতার পরিচয় থাকত।
প্রচ্ছদের ছবিটি এআই-সহায়তায় নির্মিত মৌলিক ঐতিহাসিক পুনর্গঠন; এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা, কর্মশালা বা বস্তুর আলোকচিত্র নয়।
উপাদান, নির্মাণ ও ব্যবহার
কাচের দেহ, গলা ও পা ফুঁ দিয়ে বানিয়ে গরম অবস্থায় হাতল জোড়া হতো; পরে এনামেল ও সোনা এঁকে আবার পোড়ানো হতো। ভেতরের ছোট পাত্রে তেল, পানি ও ভাসমান সুতির সলতে থাকত।
সঠিকভাবে কীভাবে চিনবেন
প্রতিটি সলতে আধুনিক আলোর মতো উজ্জ্বল ছিল না; তেল ভরা, সলতে ছাঁটা ও কালি পরিষ্কার করতে হতো। উনিশ শতকের অনুকরণও আছে, তাই কাচ, এনামেল ও মেরামত পরীক্ষা জরুরি।





