
ইবন আল-শাতির গ্রহীয় মডেল: পতলেমির সংস্কার
ইবন আল-শাতির কীভাবে ইউকেন্ট দূর করে চাঁদ ও গ্রহের নতুন গতিশীল মডেল তৈরি করেন এবং কেন এগুলোকে হেলিওসেন্ট্রিক বলা ভুল।
চতুর্দশ শতকের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইবন আল-শাতির ডামাস্কাসের উময়্যা মসজিদে কাজ করে পতলেমির ভৌত সীমাবদ্ধতাগুলো ঠিক করার চেষ্টা করেন। তিনি ইউকেন্ট পয়েন্ট বাদ দিয়ে লিঙ্কড ইপি সাইকল এবং টাসি কাপেল জ্যামিতিক রচনার মাধ্যমে গ্রহীয় গতির মডেল পুনর্নির্মাণ করেন।
প্রচ্ছদের ছবিটি এআই-সহায়তায় নির্মিত মৌলিক ঐতিহাসিক পুনর্গঠন; এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা, কর্মশালা বা বস্তুর আলোকচিত্র নয়।
উপাদান, নির্মাণ ও ব্যবহার
তিনি চাঁদের দূরত্বের অযৌক্তিক পরিবর্তন দূর করে একটি নতুন জ্যামিতিক কাঠামো তৈরি করেন যা লম্বিডিউড নির্ভুলতা বজায় রাখে। এই মডেলগুলো পৃথিবীকেন্দ্রিক থাকলেও, কোপার্নিকাসের প্রায় দুই শতক আগে এগুলো গাণিতিকভাবে অনুরূপ ফলাফল দেয় এবং ভৌত সামঞ্জস্য নিশ্চিত করে।
সঠিকভাবে কীভাবে চিনবেন
সমালোচকরা ইবন আল-শাতির এবং কোপার্নিকাসের মডেলগুলোর গাণিতিক সমতা দেখেন, কিন্তু সরাসরি প্রভাবের কোনো ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। এই মডেলগুলোকে হেলিওসেন্ট্রিক বা কপিউর্নিকান বলে ভুল বোঝা উচিত নয়; এগুলো পতলেমিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি সক্ষম সংশোধনীমূলক ধারা ছিল।
তথ্যসূত্র
- Cambridge University Press: Venus According to Ibn al-Shatir — specialist analysis of a planetary model.
- Cambridge University Press: The Mercury Models of Ibn al-Shatir and Copernicus — documented mathematical comparison.
- MacTutor: Arabic Mathematics — broader scientific and mathematical context.





