দার আল-ইলম: ফাতিমীয় কায়রোতে বই ও জ্ঞানচর্চা

দার আল-ইলম: ফাতিমীয় কায়রোতে বই ও জ্ঞানচর্চা

Muslim Post Editorial Desk@muslimpost
0

খলিফা আল-হাকিমের দার আল-ইলম, এর গ্রন্থাগার ও শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে ঐতিহাসিক উৎস কী বলে এবং কেন একে আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরি বলা চলে না।

একাদশ শতাব্দীর শুরুতে ফাতিমীয় খলিফা আল-হাকিম কর্তৃক কায়রোতে প্রতিষ্ঠিত দার আল-ইলম (Dar al-Ilm) ছিল রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বই, অনুলিপি তৈরি এবং ইসমাইলি মতাদর্শ চর্চার একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এই প্রতিষ্ঠানটি কায়রোকে তৎকালীন ইসলামি বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছিল।

প্রচ্ছদের ছবিটি এআই-সহায়তায় নির্মিত মৌলিক ঐতিহাসিক পুনর্গঠন; এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা, কর্মশালা বা বস্তুর আলোকচিত্র নয়।

উপাদান, নির্মাণ ও ব্যবহার

দার আল-ইলম তার পাঠকদের কাগজ, কালি ও কলম সরবরাহ করত যাতে পাণ্ডুলিপি অনুলিপি করা সহজ হয়। যদিও কিছু ঐতিহাসিক সূত্রে একে 'জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত' বলা হয়েছে, তবে একাদশ শতাব্দীর প্রেক্ষাপটে এর অর্থ আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরি নয়। মূলত রাজকীয় সংযোগ, উচ্চ সামাজিক মর্যাদা এবং স্বাক্ষরতা সম্পন্ন অভিজাত পণ্ডিতরাই কেবল এখানে প্রবেশের সুযোগ পেতেন।

সঠিকভাবে কীভাবে চিনবেন

এই প্রতিষ্ঠানটিকে বাগদাদের আব্বাসীয় 'বাইত আল-হিকমা' (Bayt al-Hikma) বা পরবর্তী যুগের সমনামীয় লাইব্রেরিগুলোর সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। কায়রোতে এর কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ অবশিষ্ট নেই, তাই এর অভ্যন্তরীণ বিন্যাস সম্পূর্ণভাবে মধ্যযুগীয় লিখিত বিবরণের ওপর নির্ভর করে পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রচ্ছদ ছবিটি এআই-সহায়তায় তৈরি একটি কাল্পনিক চিত্র মাত্র।

তথ্যসূত্র