দক্ষিণ ফিলিপাইনে আবু সায়াফ গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রতি হুমকির বিস্তারিত বিশ্লেষণ

দক্ষিণ ফিলিপাইনে আবু সায়াফ গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রতি হুমকির বিস্তারিত বিশ্লেষণ

sara@alma-savira
3
0

এই নিবন্ধে আবু সায়াফ গোষ্ঠীর উৎপত্তি, দক্ষিণ ফিলিপাইনে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

নিবন্ধের তথ্যসূত্র

এই নিবন্ধে আবু সায়াফ গোষ্ঠীর উৎপত্তি, দক্ষিণ ফিলিপাইনে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

  • এই নিবন্ধে আবু সায়াফ গোষ্ঠীর উৎপত্তি, দক্ষিণ ফিলিপাইনে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
বিভাগ
উইকি
লেখক
sara (@alma-savira)
প্রকাশিত
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ এ ০১:৫৩ PM
হালনাগাদ করা হয়েছে
৫ মে, ২০২৬ এ ১০:৪৩ AM
প্রবেশাধিকার
সর্বজনীন নিবন্ধ

ভূমিকা: মোরো মুসলমানদের সংগ্রাম এবং আবু সায়াফের উত্থান

দক্ষিণ ফিলিপাইনের মোরো মুসলমানরা তাদের অধিকার, স্বায়ত্তশাসন এবং ইসলামি পরিচয় রক্ষার জন্য কয়েক শতাব্দী ধরে সংগ্রাম করে আসছে। তবে এই ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রক্রিয়ায় কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান অঞ্চলের শান্তি এবং ইসলামি উম্মাহর ভাবমূর্তির মারাত্মক ক্ষতি করেছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং সহিংস হিসেবে বিবেচিত সংগঠনটি হলো ‘আবু সায়াফ’ (Abu Sayyaf Group - ASG)। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি শুরুতে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্লোগান নিয়ে আবির্ভূত হলেও, পরবর্তীতে সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ এবং সহিংসতার চোরাবালিতে নিমজ্জিত হয় [Wikipedia](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEk220bPknNplew64HjYVLJC6A2o_eXiUJhEiG_7W-HQCOidpjMvfM9jXS-9bvmpBxWE9Z6g04AB6tFU3EN9Cpe2uVppFegesiXKdQpEn5Xfvs1lU_nv3T3YTiOFbsg5bZdklw=)। ২০২৬ সাল নাগাদ ফিলিপাইন সরকার এবং আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টায় এই সংগঠনের সামরিক শক্তি অনেকাংশে হ্রাস পেলেও, এর রেখে যাওয়া ক্ষত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রতি হুমকি এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: জানজালানি থেকে কৌশলগত পরিবর্তন

আবু সায়াফ গোষ্ঠী ১৯৯১ সালে আবদুরজাক আবু বকর জানজালানি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জানজালানি আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং সেখানে উগ্রবাদী আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন [CFR](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGGAWscmJqQOgUprK064-OpICVmGbDeUHyPB5a-t5bc7tG67KwYrI69VBNwA4PprQ8y5TelgLPErj9j5BgarDe4iO04d1p478f4fU28vaQFx8qt4qwIyCZYe9joduVcEYg6898uiQPOxIWHIuhtRjkgQagZOI8BrhfeKBT6C3Z1c7Qnu3kqufPipWsyZHrq)। তিনি মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (MNLF)-এর ফিলিপাইন সরকারের সাথে শান্তি আলোচনার বিরোধিতা করেন এবং আরও উগ্র ‘আল-হারাকাতুল আল-ইসলামিয়া’ (Al-Harakatul Al-Islamiyyah) প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটির নাম আফগান মুজাহিদ নেতা আবদুল রসুল সায়াফের সম্মানে রাখা হয়েছিল [West Point](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGhZcuTVmrod0YVW0Bh2Oyp5riqqVdiUn0fFwF_STHTmQ3bNmnzhDjDEiKWvmdO10IFDS-KTqUmn7pyNzpTNQg0K6ANfOxm8p1W-ZCRQj9SPQbdnbtlu84BkZOVxmWa1fHe9lrcKax-kaTbQGqneXd38YjtbWCxSekbRc12s_UBs4OKL-wPVLcPDBEMfCNFr3ICSVToEQ2hra0pug==)।

১৯৯৮ সালে জানজালানি নিহত হওয়ার পর সংগঠনের নেতৃত্ব তার ভাই গাদ্দাফি জানজালানির হাতে চলে যায়। এই সময়ে সংগঠনটি আদর্শিক সংগ্রামের চেয়ে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, জাহাজে হামলা এবং বোমা হামলার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করে। বিশেষ করে ২০০৪ সালের ‘সুপারফেরি ১৪’ জাহাজে বোমা হামলার ঘটনা, যাতে ১১৬ জন প্রাণ হারায়, ফিলিপাইনের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে [DNI](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQG8AUy_X3LSDQFI4NVc8lgVW9bzJ1vxT8EV9pr1qD9h1frVgp1PZbQN0HCEBqKYOUYp76Z4(Vp1PZbQN0HCEBqKYOUYp76Z4vLim9calv8dd5eJWS9yiEqnyQFe_k905pgOWp9g4-gIpFYpRnJez6wFSTv-VmOCzkHH6XVQw)।

আইসিস (ISIS) এর সাথে সম্পর্ক এবং মারাউই যুদ্ধ

২০১৪ সালে আবু সায়াফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ইসনিলন হ্যাপিলন (Isnilon Hapilon) আইসিসের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং আইসিস তাকে ‘পূর্ব এশিয়ার আমির’ হিসেবে ঘোষণা করে [Wikipedia](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEk220bPknNplew64HjYVLJC6A2o_eXiUJhEiG_7W-HQCOidpjMvfM9jXS-9bvmpBxWE9Z6g04AB6tFU3EN9Cpe2uVppFegesiXKdQpEn5Xfvs1lU_nv3T3YTiOFbsg5bZdklw=)। এই মোড় সংগঠনটিকে একটি স্থানীয় গোষ্ঠী থেকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অংশে পরিণত করে। ২০১৭ সালে মারাউই শহর দখলের যুদ্ধে আবু সায়াফ মাউত (Maute) গোষ্ঠীর সাথে একত্রিত হয়ে ফিলিপাইন সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পাঁচ মাস যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধে হ্যাপিলন নিহত হলেও, এই ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির গভীরতা পুরো বিশ্বের কাছে উন্মোচন করে [The Soufan Center](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEx7jDt9A5Ji773dkoLkuizoKcztew5olSUf6zH2Tf_qRfE2VDXwEbdK5GBFQPY1elP_72YjN4eJONkex-UO3zB_LndGiNs7P-gsz87XazKatZibTX0LbWDMiErXk2D2aqPVk-ocOQDciUxdtqQDQ==)।

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, আবু সায়াফের আইসিস অনুসরণ এবং নিরপরাধ জনগণকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো ‘ফিতনা’ (Fitna)-এর সবচেয়ে গুরুতর রূপ। ইসলাম ধর্ম বেসামরিক নাগরিক, নারী ও শিশুদের হত্যা করা এবং মুক্তিপণের জন্য মানুষকে অপহরণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এই সংগঠনের কর্মকাণ্ড মোরো মুসলমানদের ন্যায়সঙ্গত স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রামকে কলঙ্কিত করেছে এবং বিশ্বজুড়ে ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকি এবং অর্থনৈতিক প্রভাব

আবু সায়াফ কেবল ফিলিপাইনের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম দেশ মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার জন্যও একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুলু সাগরে জাহাজ অপহরণ এবং জলদস্যুতা অঞ্চলের বাণিজ্য ও পর্যটন অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি করেছে। মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যে পর্যটকদের অপহরণের ঘটনা দুই দেশের সম্পর্ক এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় চাপ সৃষ্টি করেছে [Counter Extremism Project](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQHjrWJ4sc5PTvGj-BT68ciCRVzBbr5TuCytetaORHtE0bt5UUagXkybLbDJFEWxl7jRmGzlpL_-0uMJNTWH0gPoFXxVhI8RQP2O8CcU-_6QadEIt7oPmsAToKiUHAAB2lUhakSNBYxr-5ZpAr0xN1hoTB1PSHh7vA==)।

এই হুমকি মোকাবিলায় ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সামুদ্রিক টহল সহযোগিতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সহযোগিতা মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর অভিন্ন নিরাপত্তা রক্ষা এবং উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ কোনো সীমানা চেনে না, এর ক্ষতি পুরো উম্মাহর জন্য সমান।

২০২৫-২০২৬: আবু সায়াফের পতন এবং শান্তির নতুন যুগ

গত কয়েক বছরে ফিলিপাইন সেনাবাহিনীর নিরবচ্ছিন্ন অভিযান এবং স্থানীয় জনগণের সমর্থনে আবু সায়াফ গোষ্ঠী পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালে সুলু প্রদেশকে ‘আবু সায়াফ মুক্ত’ ঘোষণা করা হয় এবং ২০২৫ সালের জুন মাসে বাসিলান প্রদেশও আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংগঠনের প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেয় [PNA](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEky5J7CDCTGvxP8y14anL04iq-4W84nFDhD0k5EVMKZZBxHklz1nhs6Qb9EEAZ0f-rbkM9g_chXj60dS4ZOmA3ahXs9riJEJlIDk29uwxlOX0C9OxRnEHOMizbuka174kylw==)। শত শত সদস্য অস্ত্র সমর্পণ করে সমাজে ফিরে এসেছে [The Soufan Center](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEx7jDt9A5Ji773dkoLkuizoKcztew5olSUf6zH2Tf_qRfE2VDXwEbdK5GBFQPY1elP_72YjN4eJONkex-UO3zB_LndGiNs7P-gsz87XazKatZibTX0LbWDMiErXk2D2aqPVk-ocOQDciUxdtqQDQ==)।

এই সাফল্যের পেছনে কেবল সামরিক শক্তি নয়, বরং ‘বাংসামোরো মুসলিম মিন্দানাও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল’ (BARMM) প্রতিষ্ঠা এবং শান্তি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি কাজ করছে। মোরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট (MILF)-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্থানীয় জনগণের জন্য ন্যায়বিচার, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তরুণদের উগ্রবাদী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া রোধ করেছে [PeaceGovPH](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQHduCXDxhFfomGej2tjguMEPfSMHUPuaPOnur_j-g0kaStvcuIdL1UORC7QKHtCiuGd9ikLmtiFPAr9xCP6EROJcs2CAjYlH1l6zeO5tRQjgX-zb4MJIp1BcORq6VLmR6xZ3_xILn5k6Gp1Szkiij4r4ZVrerDn1HCxX2P0Ynj8xKhGInJ84nvKaB6AY1OAxKc=)। ২০২৫ সালের শেষ এবং ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অঞ্চলের শান্তি ও গণতন্ত্রের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ: প্রকৃত জিহাদ ও ন্যায়বিচার

আবু সায়াফের পরাজয় আমাদের দেখায় যে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদ কখনোই ইসলামি উম্মাহর লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে না। প্রকৃত জিহাদ হলো—অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণের জন্য প্রচেষ্টা চালানো। আবু সায়াফের কর্মকাণ্ড ইসলামের ‘রহমত’ বা করুণার বাণীর পরিপন্থী ছিল এবং তারা কেবল ধ্বংসই ডেকে এনেছে।

মুসলিম সমাজ হিসেবে আমাদের উগ্রবাদের মূল কারণ—দারিদ্র্য, অজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। BARMM-এর অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে রাজনৈতিক সংলাপ, স্বায়ত্তশাসন এবং ইসলামি মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সামাজিক সংস্কার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। আমাদের দায়িত্ব হলো তরুণদের ইসলামের সঠিক আকিদা, শান্তি ও সহনশীলতার নীতি শেখানো এবং তাদের ফিতনা থেকে রক্ষা করা।

উপসংহার

দক্ষিণ ফিলিপাইনে আবু সায়াফ গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে থেকে যাচ্ছে। ২০২৬ সাল নাগাদ অঞ্চলে শান্তির আলো দেখা দিতে শুরু করেছে। তবে আমাদের এখনও সতর্ক থাকতে হবে এবং উগ্রবাদী আদর্শের পুনরুত্থান রোধ করতে হবে। মোরো মুসলমানদের ভবিষ্যৎ সহিংসতায় নয়, বরং ঐক্য, ন্যায়বিচার এবং ইসলামি নৈতিকতার ভিত্তিতে উন্নয়নের মধ্যে নিহিত। ইসলামি উম্মাহর উচিত এই প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ ফিলিপাইনের ভাইদের সমর্থন করা এবং তাদের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া ও বাস্তব সহায়তা প্রদান করা।

মন্তব্য

comments.comments (0)

Please login first

Sign in