জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশনের টোকিওতে বিশাল সমাবেশ: মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার আহ্বান

জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশনের টোকিওতে বিশাল সমাবেশ: মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার আহ্বান

cho minho@cho-minho
3
0

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ টোকিওতে জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশন একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে, যেখানে বিশ্ব মুসলিম সমাজ ও আন্তর্জাতিক শক্তিকে উইঘুরদের ওপর পদ্ধতিগত নিপীড়ন প্রতিরোধের এবং জাপানি 'উইঘুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইন' প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

নিবন্ধের তথ্যসূত্র

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ টোকিওতে জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশন একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে, যেখানে বিশ্ব মুসলিম সমাজ ও আন্তর্জাতিক শক্তিকে উইঘুরদের ওপর পদ্ধতিগত নিপীড়ন প্রতিরোধের এবং জাপানি 'উইঘুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইন' প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ টোকিওতে জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশন একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে, যেখানে বিশ্ব মুসলিম সমাজ ও আন্তর্জাতিক শক্তিকে উইঘুরদের ওপর পদ্ধতিগত নিপীড়ন প্রতিরোধের এবং জাপানি 'উইঘুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইন' প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।
বিভাগ
প্রতিরোধের ঐতিহ্য
লেখক
cho minho (@cho-minho)
প্রকাশিত
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ এ ১০:৪৩ PM
হালনাগাদ করা হয়েছে
২ মে, ২০২৬ এ ১০:৪৬ AM
প্রবেশাধিকার
সর্বজনীন নিবন্ধ

সূচনা: টোকিওতে প্রতিধ্বনিত মুসলিম ভাইদের কণ্ঠস্বর

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬; একটি শীতল কিন্তু আশাব্যঞ্জক বসন্তের দিনে টোকিও’র রাজপথ এক হৃদয়স্পর্শী ন্যায়বিচারের সমাবেশের সাক্ষী হলো। **জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশন (Japan Uyghur Association, JUA)** কর্তৃক আয়োজিত এই বিশাল সমাবেশটি টোকিও’র কেন্দ্রস্থলে অনুষ্ঠিত হয়। জাপানে বসবাসরত হাজার হাজার উইঘুর, জাপানি রাজনীতিবিদ, মানবাধিকার কর্মী এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসলিম প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে একটি স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন: পূর্ব তুর্কিস্তানের (শিনজিয়াং) মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর নিপীড়ন অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়—বিশেষ করে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ—এই অন্যায়ের সামনে নীরব থাকতে পারে না [Source](https://uyghur-j.org/japan/)।

এই সমাবেশটি কেবল গত কয়েক বছরের মানবাধিকার পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ ছিল না, বরং এটি ছিল ভবিষ্যৎ বহুপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য একটি গভীর আহ্বান। ইসলামি মূল্যবোধে 'আদল' বা ন্যায়বিচার হলো বিশ্বাসের মূল ভিত্তি, আর 'জুলুম' বা নিপীড়নের প্রতিবাদ করা প্রতিটি মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব। জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি **আফমেত রেতেপ (Afumetto Retepu)** তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন যে, এই লড়াই কেবল একটি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার নয়, বরং এটি মানববিবেক এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার রক্ষার লড়াই [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQFqsCb-j4LkfzQ65G-GMoFLLoM0CNkjP8Ddd1YYlITENxX0Hk0ss998_5ZY4rdXgHQFc8JWBbzjwz1LeHn2fUao6nyH9NiP1Bs1qrp8YjicbkeOmW3fshGSnDnAQGbuQ5qwBoFHhNjlnA==)।

১. বিশ্বাসের পরীক্ষা: ইসলামি পরিচয়ের পদ্ধতিগত বিলুপ্তি

মুসলিম দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, পূর্ব তুর্কিস্তান আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঈমানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমাবেশে প্রদর্শিত তথ্য-প্রমাণ অনুযায়ী, সেখানে মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে বা অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, রমজানে রোজা রাখাকে 'চরমপন্থা' হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, এমনকি শিশুদের ইসলামি নাম রাখার ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGkf-mwtFslFWnKYQz5mQm0ZfPxlUdJPE36Jxl2Vy7NxT5uBSj_WFiEyQas1z0y6acRKoS0uetCi0-Jc3wKAc-efIehR37ER9wL7pcra5RYhz1AQuLvhrmOmgt3-QNPFhf-cUP8l2qAoJ1JkUKQgZ86PA6ST1KI60XN9msl1OOLkUtr9vcw9s3FOJIp2ih5Ov32QSdwv52yTtityG45K_beO9SnEVBSA5PU)। এই কর্মকাণ্ড কেবল মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন নয়, বরং বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র বিশ্বাসের প্রতি এক চরম অবমাননা।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয় (OHCHR) ২০২২ সালের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, সেখানে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' হতে পারে এমন গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEJIAi3oAAb-d2YUcQTZ1NcVV26S4XM-LOtu06ZK6IlATzCa6SOAXtQy5FykZj4DcD_lgJc7tPT2IY8YifS2z2k8lWQHRoz9kW5-k0aPievUCaOgq1HrTPS6YJvIUECIhsiIAHIYKz6x3_o7HeThb7h1bvyF6ux-btVC6fD5XH4kgINwKupxc991880y0Ocn-4CYQKepvQ9PfnaWE4M85UVccPb0NjwmGwoq25ky3VgiunnzFmVq7B2OgPa4t3pu0piQE_PC8vgSJv0-qfXXVdOVctav_N4HVLARYe1QcCMoZmukrU-dWzy5LoutSfUgj650FBFaDOmCLmn0NQwDw5s7-xDBsl9LeDNuUZKXphnThzyu3bAAo56UajltBbXEP3A)। বিশ্ব মুসলিমদের কাছে উইঘুর ভাই-বোনদের কষ্ট পুরো উম্মাহর শরীরের ক্ষতের মতো। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "মুমিনদের পারস্পরিক দয়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার উদাহরণ একটি দেহের মতো; যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ অসুস্থ হয়, তখন পুরো শরীর অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়।" টোকিও সমাবেশের অংশগ্রহণকারীরা কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে এই আন্তঃসীমান্ত আধ্যাত্মিক বন্ধন প্রকাশ করেন।

২. জাপানের আইনি জাগরণ: 'যথাযথ সতর্কতা' থেকে 'বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা'

এই সমাবেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল জাপান সরকারকে দ্রুত **জাপানি সংস্করণ 'উইঘুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইন' (UFLPA)** প্রণয়নের জন্য চাপ দেওয়া। দীর্ঘকাল ধরে শিনজিয়াং-এর সাপ্লাই চেইনে জাপানি কোম্পানিগুলোর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। যদিও জাপান সরকার ২০২২ সালে একটি অ-বাধ্যতামূলক 'মানবাধিকার যথাযথ সতর্কতা' নির্দেশিকা জারি করেছিল, কিন্তু আন্দোলনকারীরা মনে করেন এটি যথেষ্ট নয় [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQFqsCb-j4LkfzQ65G-GMoFLLoM0CNkjP8Ddd1YYlITENxX0Hk0ss998_5ZY4rdXgHQFc8JWBbzjwz1LeHn2fUao6nyH9NiP1Bs1qrp8YjicbkeOmW3fshGSnDnAQGbuQ5qwBoFHhNjlnA==)।

২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের শুরুর দিকের রাজনৈতিক আলোচনায়, জাপানের সর্বদলীয় 'উইঘুর সমর্থক সংসদীয় জোট'-এর চেয়ারম্যান **কেইজি ফুরুয়া (Keiji Furuya)** বারবার বলেছেন যে, জাপানকে অবশ্যই আমেরিকা ও ইউরোপের মতো কঠোর অবস্থান নিতে হবে, যাতে জাপানি বাজার জোরপূর্বক শ্রমজাত পণ্যের 'নিরাপদ আশ্রয়' না হয়ে ওঠে [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEMyQWSIHPRG5gFIaw50DGTsQh81uhYYEb-fDQjtUdrgQyghCck8-L5hEX2SXNPW-CEvVCBMVmKBy2PzfVx0NF5PMq2RDmqGHM2XILfNqgqNfRGASS7YNotmjnibyZHtz9mB9BjGG3dKxMmhdH3NMq95-uUscN6CTavoZqK0UGL8rWxl93qbG94C0dnPiH_kSlUjWTEQ_gnX71Bvqnmk-d17QJPpf2ENJEMRYDZ)। সমাবেশে ক্ষমতাসীন এলডিপি এবং বিরোধী দলের অনেক সংসদ সদস্য উপস্থিত থেকে ২০২৬ সালের সংসদীয় অধিবেশনে সংশ্লিষ্ট বিলটি পাস করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ইসলামি নৈতিকতার দৃষ্টিতে, ব্যবসা ও বাণিজ্য অবশ্যই 'হালাল' ও ন্যায়ের ভিত্তিতে হতে হবে; ভাইদের শোষণ ও দাসত্বের ওপর ভিত্তি করে অর্জিত কোনো মুনাফা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGkf-mwtFslFWnKYQz5mQm0ZfPxlUdJPE36Jxl2Vy7NxT5uBSj_WFiEyQas1z0y6acRKoS0uetCi0-Jc3wKAc-efIehR37ER9wL7pcra5RYhz1AQuLvhrmOmgt3-QNPFhf-cUP8l2qAoJ1JkUKQgZ86PA6ST1KI60XN9msl1OOLkUtr9vcw9s3FOJIp2ih5Ov32QSdwv52yTtityG45K_beO9SnEVBSA5PU)।

৩. উম্মাহর দায়িত্ব: ভূ-রাজনৈতিক নীরবতা ভাঙা

সমাবেশে অনেক বক্তা মুসলিম প্রধান দেশগুলোর সরকারের নীরবতার কড়া সমালোচনা করেন। অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে ওআইসি (OIC)-ভুক্ত কিছু দেশ উইঘুর ইস্যুতে দ্বিধাগ্রস্ত, এমনকি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিপীড়নকারীদের সমর্থন দিচ্ছে। বিশ্বাসের নীতি থেকে এই বিচ্যুতি টোকিও সমাবেশে কঠোর নৈতিক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে।

"আমরা মুসলিম বিশ্বের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই, ক্ষণস্থায়ী পার্থিব লাভের জন্য আপনাদের ভাই-বোনদের ত্যাগ করবেন না," সমাবেশে অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন এক তরুণ উইঘুর ছাত্র। সমাবেশটি কেবল পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সাথেই নয়, বরং বিশ্ব মুসলিম নাগরিক সমাজের জাগরণ ও ঐক্যের মাধ্যমে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক কেন্দ্র জাপানে এই কণ্ঠস্বর তোলার মাধ্যমে জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশন পশ্চিমা মানবাধিকারের ভাষা এবং প্রাচ্যের ইসলামি ন্যায়বিচারের ধারণার মধ্যে একটি সেতু তৈরির চেষ্টা করছে [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGWa_omfLOXzj4Rz8QBieZJBWu0i1nltKwkqyldk6d2SAtTVKLDuDGPlcYew3wXOXi29Adt6VMx8Fm768POFhjXfhhv7ezHx5YFll3tttZ3A36kwlQGvP53Q8Cu-AQWIszKc_TZ2ZeUEdVKw-xII-CEuZJhq3wOLi8nZaQ=)।

৪. আন্তঃদেশীয় দমন ও শরণার্থী সুরক্ষা: জাপানে উইঘুরদের নিরাপত্তা সংকট

সমাবেশে ক্রমবর্ধমান 'আন্তঃদেশীয় দমন' (Transnational Repression) ইস্যুটির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। জাপানে বসবাসরত অনেক উইঘুর জানিয়েছেন যে, তারা প্রায়ই তাদের দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে হুমকিমূলক ফোন কল পান, যেখানে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বা অন্য উইঘুরদের ওপর নজরদারি করতে বলা হয় [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGOP9VAnj2l5MISnKKbrpllbGPzQoRqiY8bsGPtZ28RSMSMkdvC-TNm69VG5lVYVfHp-VDy4ZUIdoabN4OP2uNxfV8rnmVy55IG71-SAZ1dtBvyDurxgk-DAbcPP6FxTqkyDWwqalC64_cJt1jPr_jiiVchdykvjiPIbUD5_7A8eqHd-tIGi7OBjrFGGrJOQU3omZQ=)। ভয়ের এই বিস্তৃতি টোকিও’র এই সমাবেশকে কেবল একটি রাজনৈতিক দাবি নয়, বরং 'ভয় থেকে মুক্তির' এক সংগ্রামে পরিণত করেছে।

জাপান সরকারের কঠোর শরণার্থী নীতিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপান উইঘুরদের বসবাসের অনুমতি কিছুটা শিথিল করেছে, কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে শরণার্থী মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা এখনো অত্যন্ত নগণ্য [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQF0bGn8NxJR001PonjXowF8IbR0WS9Ojkiby9eYmZL49stBQN0ZtCWK5xZwofYuvNVEwRl6lO8BDg-gyAYLmEdyaibeSSlXU7DasVfwqy4Pzuhdn0PFcBHZpHjvdPUTOu2z9o7MnWSX74c=)। সমাবেশটি জাপান সরকারকে একটি উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা পালনের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে বিশ্বাস ও জাতিগত পরিচয়ের কারণে বাস্তুচ্যুত মুসলিমরা প্রকৃত নিরাপদ আশ্রয় পায়।

৫. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ

সমাবেশের শেষে একটি 'টোকিও ঘোষণা' গৃহীত হয়, যেখানে তিনটি মূল দাবি উত্থাপন করা হয়: ১. **আইনি বাধ্যবাধকতা**: জাপানি সংসদকে অবিলম্বে জোরপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা পাস করতে হবে, যাতে নিপীড়নের অর্থনৈতিক উৎস বন্ধ হয় [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQEMyQWSIHPRG5gFIaw50DGTsQh81uhYYEb-fDQjtUdrgQyghCck8-L5hEX2SXNPW-CEvVCBMVmKBy2PzfVx0NF5PMq2RDmqGHM2XILfNqgqNfRGASS7YNotmjnibyZHtz9mB9BjGG3dKxMmhdH3NMq95-uUscN6CTavoZqK0UGL8rWxl93qbG94C0dnPiH_kSlUjWTEQ_gnX71Bvqnmk-d17QJPpf2ENJEMRYDZ)। ২. **কূটনৈতিক বহুপাক্ষিকতা**: G7 সদস্য হিসেবে জাপানকে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে মানবাধিকার রক্ষায় চাপ অব্যাহত রাখতে হবে এবং আরও বেশি এশীয় ও মুসলিম দেশকে এই ন্যায়বিচারের পথে শামিল করতে হবে [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQGoXhkPchUUQzqNOxSkUyKZl9KlXHmYrs6cSwuVhpATYy7iCoEP0UmB543wNDOJomBj9sXPomirkfex6Qy3NfeCG9JY_nLofgFItNLJ7MF2Bg1rScmaO-S3zA8WRpHBNXhOOtmg50WiDfuUb9CiVuT02j6k11qXJUzhwE0_FcW0wDI3kmx4UIGGWt-T9FO3Ld3qi69A5W8=)। ৩. **সংস্কৃতি ও বিশ্বাস রক্ষা**: বিদেশে উইঘুর সম্প্রদায়ের ভাষা, ধর্ম ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহায়তা করা, যাতে সাংস্কৃতিক নিধন বা 'কালচারাল জেনোসাইড'-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয় [Source](https://vertexaisearch.cloud.google.com/grounding-api-redirect/AUZIYQHqkMhpICNXpzXIAOLB2yxhdXqMc039J_FFsUcFGzB-7udKupunHNOVV8FwusZ6661-Fwflo-4CnWPRF8a3_txAzyAk4ju_nbDaAsoBc83HtZ12LSKNfJnDKzXQTFks0F5M-z8K4AVT-5fX-T2VnwY7w-R5Qu50BdC5HjfqfpEx)।

উপসংহার: ন্যায়বিচার অবশ্যই আসবে

বিশ্ব মুসলিমদের জন্য টোকিও’র এই সমাবেশ কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি আধ্যাত্মিক জাগরণ। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা যেখানেই থাকি না কেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্বলের পাশে দাঁড়ানো আমাদের বিশ্বাসের দেওয়া এক পবিত্র দায়িত্ব। জাপান উইঘুর অ্যাসোসিয়েশনের এই অবিচল সংগ্রাম প্রমাণ করে যে, ঘোর অন্ধকারের মাঝেও যদি উম্মাহর হৃদস্পন্দন এক থাকে, তবে ন্যায়বিচারের আলো কখনো নিভবে না। আমরা আল্লাহর কাছে নিপীড়িতদের জন্য শক্তি প্রার্থনা করি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ন্যায় ও শান্তির পথে পরিচালিত করার দোয়া করি। আমিন।

মন্তব্য

comments.comments (0)

Please login first

Sign in