পূর্ব তুর্কিস্তানে চলমান নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো হচ্ছে উইঘুরদের কণ্ঠস্বর

পূর্ব তুর্কিস্তানে চলমান নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো হচ্ছে উইঘুরদের কণ্ঠস্বর

X F@xf
1
0

২০২৬ সালে উইঘুরদের আন্তর্জাতিক তৎপরতা বৃদ্ধি, পূর্ব তুর্কিস্তানে অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং এই মানবিক সংকটে মুসলিম বিশ্বের ভূমিকা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন।

নিবন্ধের তথ্যসূত্র

২০২৬ সালে উইঘুরদের আন্তর্জাতিক তৎপরতা বৃদ্ধি, পূর্ব তুর্কিস্তানে অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং এই মানবিক সংকটে মুসলিম বিশ্বের ভূমিকা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন।

  • ২০২৬ সালে উইঘুরদের আন্তর্জাতিক তৎপরতা বৃদ্ধি, পূর্ব তুর্কিস্তানে অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং এই মানবিক সংকটে মুসলিম বিশ্বের ভূমিকা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন।
বিভাগ
ফ্রিডম মিডিয়া আর্কাইভস
লেখক
X F (@xf)
প্রকাশিত
২ মার্চ, ২০২৬ এ ১১:০৭ AM
হালনাগাদ করা হয়েছে
১ মে, ২০২৬ এ ০২:৪২ PM
প্রবেশাধিকার
সর্বজনীন নিবন্ধ

ভূমিকা: পূর্ব তুর্কিস্তানে উম্মাহর রক্তক্ষরণকারী ক্ষত

পূর্ব তুর্কিস্তানের ইস্যুটি আধুনিক যুগের অন্যতম বেদনাদায়ক মানবিক বিপর্যয় হিসেবে রয়ে গেছে, যেখানে মুসলিম উইঘুর জনগোষ্ঠী তাদের ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয় মুছে ফেলার এক সুপরিকল্পিত অভিযানের শিকার হচ্ছে। ২০২৬ সাল নাগাদ নীরবতা আর কোনো বিকল্প নয়, কারণ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সাংস্কৃতিক গণহত্যার ক্রমবর্ধমান প্রমাণের মুখে আন্তর্জাতিক মহলে উইঘুরদের কণ্ঠস্বর অভূতপূর্বভাবে জোরালো হয়েছে। এই বিষয়টি কেবল কোনো রাজনৈতিক বা আইনি বিরোধ নয়, বরং এটি মুসলিম উম্মাহর বিবেক এবং মজলুমের পাশে দাঁড়ানোর ইসলামী মূল্যবোধের এক কঠিন পরীক্ষা। [Source](https://www.aljazeera.net/news/2025/2/4/%D8%A7%D9%84%D8%B5%D9%8A%D9%86-%D8%AA%D8%AE%D9%81%D9%91%D9%81-%D9%85%D9%86%D8%B4-%D8%A7%D9%84%D8%B3%D9%81%D8%B1-%D8%B9%D9%84%D9%89-%D8%A7%D9%84%D8%A5%D9%8A%D8%BA%D9%88%D8%B1)

২০২৬-এর তৎপরতা: আন্তর্জাতিক মহলের কেন্দ্রে উইঘুররা

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসী উইঘুর সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল, যার মধ্যে রুশান আব্বাস এবং দোলকুন ঈসার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত "গ্লোবাল ফোরাম ২০২৬"-এ অংশগ্রহণ করেন [Source](https://www.uyghurcongress.org/en/weekly-brief-20-february-2026/)। এই ফোরামে রুশান আব্বাস এক আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন, যেখানে তিনি উইঘুর নারীদের ওপর চালানো নির্যাতন, যেমন—জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণ, গর্ভপাত এবং উইঘুরদের চীনা হান সমাজের সাথে জোরপূর্বক মিশিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে চাপিয়ে দেওয়া বিয়ের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এছাড়াও তিনি বছরের পর বছর ধরে অন্যায়ভাবে বন্দি থাকা তার বোন ডক্টর গুলশান আব্বাসের মুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন [Source](https://www.uyghurcongress.org/en/weekly-brief-20-february-2026/)।

একই প্রেক্ষাপটে, ২৬টিরও বেশি বেসরকারি সংস্থা (NGO) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ককে আহ্বান জানিয়েছে যাতে তিনি মানবাধিকার পরিষদের ৬১তম অধিবেশন (যা ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ শুরু হয়ে মার্চ পর্যন্ত চলবে) ব্যবহার করে পূর্ব তুর্কিস্তানে মানবতার বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের তদন্তে তার দপ্তরের প্রচেষ্টার বিস্তারিত তুলে ধরেন [Source](https://campaignforuyghurs.org/26-ngos-call-on-volker-turk-to-address-chinas-abuses-at-the-hrcs-61st-session/)। এই দাবিগুলো ২০২২ সালের জাতিসংঘের সেই ঐতিহাসিক প্রতিবেদনের তিন বছর পর এলো, যেখানে নিশ্চিত করা হয়েছিল যে এই অঞ্চলে সংঘটিত নির্যাতন আন্তর্জাতিক অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে [Source](https://www.hrw.org/world-report/2026/country-chapters/china)।

ইসলামী পরিচয় মুছে ফেলা: আকিদা ও পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা

খাঁটি ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে, পূর্ব তুর্কিস্তানে যা ঘটছে তা ইসলামের বিরুদ্ধে এক ঘোষিত যুদ্ধ। চীনা কর্তৃপক্ষ কেবল গণ-গ্রেপ্তারেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তারা মসজিদ ধ্বংস করে বা সেগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র ও ক্যাফেতে রূপান্তর করে ইসলামের "চীনাকরণ" (Sinicization) করার চেষ্টা করছে। এছাড়াও কুরআন শিক্ষা নিষিদ্ধ করা এবং রোজা রাখা বা দাড়ি রাখার মতো সাধারণ ধর্মীয় অনুশীলনগুলোকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে [Source](https://ar.wikipedia.org/wiki/%D8%A7%D9%84%D8%A5%D8%A8%D8%A7%D8%A9_%D8%A7%D9%84%D8%AC%D9%85%D8%A7%D8%B9%D9%8A%D8%A9_%D9%84%D9%84%D8%A3%D9%82%D9%84%D9%8A%D8%A7%D8%AA_%D8%A7%D9%84%D9%85%D8%B3%D9%84%D9%85%D8%A9_%D9%81%D9%8A_%D8%A7%D9%84%D8%B5%D9%8A%D9%86)।

ইস্ট তুর্কিস্তান হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (ETHR) কর্তৃক প্রকাশিত "পূর্ব তুর্কিস্তান মানবাধিকার লঙ্ঘন সূচক ২০২৫"-এ এই দমনমূলক নীতির ধারাবাহিকতা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কর্তৃপক্ষ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই অঞ্চলের মুসলিমদের প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারি করছে [Source](https://turkistantimes.com/ar/news-17336.html)। এই সুপরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু করার উদ্দেশ্য হলো এমন এক নতুন উইঘুর প্রজন্ম তৈরি করা, যাদের সাথে তাদের ইসলামী শিকড় ও সমৃদ্ধ ইতিহাসের কোনো সম্পর্ক থাকবে না, যা একটি সম্পূর্ণ মুসলিম জাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি।

জোরপূর্বক প্রত্যাবাসনের ট্র্যাজেডি: আন্তর্জাতিক আইনের ব্যর্থতা

প্রতিবেশী দেশগুলোতে উইঘুর শরণার্থীদের বিষয়টি অন্যতম এক করুণ অধ্যায়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা থাইল্যান্ড সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যাতে তারা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অমানবিক পরিস্থিতিতে বন্দি থাকা ৪৮ জন উইঘুর শরণার্থীকে ফেরত না পাঠায় [Source](https://www.uygurnews.com/february-2026-uygur-news/)। এই সতর্কতাটি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে থাইল্যান্ড থেকে ৪০ জন উইঘুরকে চীনে ফেরত পাঠানোর ঘটনার স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়, যে পদক্ষেপকে ভলকার তুর্ক "জোরপূর্বক ফেরত না পাঠানোর (non-refoulement) নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন [Source](https://news.un.org/ar/story/2025/02/1140131)।

পাশাপাশি, ২০২৫ সালের শেষের দিকে কিছু প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে সিরীয় কর্তৃপক্ষ শত শত উইঘুর যোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে চীনের হাতে তুলে দিতে পারে। যদিও সিরিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এটি অস্বীকার করেছে, তবুও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে এটি গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে [Source](https://www.alarabiya.net/arab-and-world/syria/2025/11/17/%D8%A7%D9%84%D8%AE%D8%A7%D8%B1%D8%AC%D9%8A%D8%A9-%D8%A7%D9%84%D8%B3%D9%88%D8%B1%D9%8A%D8%A9-%D8%AA%D9%86%D9%81%D9%8A-%D8%AA%D8%B3%D9%84%D9%8A%D9%85-400-%D9%85%D9%82%D8%A7%D8%AA%D9%84-%D9%85%D9%86-%D8%A3%D9%82%D9%84%D9%8A%D8%A9-%D8%A7%D9%84%D8%A5%D9%8A%D8%BA%D9%88%D8%B1-%D8%A7%D9%84%D9%89-%D8%A7%D9%84%D8%B5%D9%8A%D9%86)। দমন-পীড়ন থেকে পালিয়ে আসা মুসলিমদের তাদের জল্লাদদের হাতে তুলে দেওয়া ইসলামী ভ্রাতৃত্বের পিঠে ছুরিকাঘাত এবং মানবতার ন্যূনতম নিয়মের পরিপন্থী।

আধুনিক দাসত্ব: জোরপূর্বক শ্রম এবং অর্থনৈতিক শোষণ

নির্যাতন কেবল বন্দিশিবিরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি উইঘুরদের আধুনিক দাসত্ব ব্যবস্থায় ব্যবহারের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত হয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) পূর্ব তুর্কিস্তানে জোরপূর্বক শ্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং উইঘুরদের শ্রমের ওপর নির্ভরশীল বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনগুলোর সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছে [Source](https://www.uyghurcongress.org/en/weekly-brief-20-february-2026/)।

সাম্প্রতিক গবেষণায় পূর্ব তুর্কিস্তানে কৃষি জমি দখলের ব্যাপক চিত্র উঠে এসেছে, যার ফলে হাজার হাজার উইঘুর কৃষক বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং বড় বড় চীনা কৃষি কোম্পানিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে [Source](https://www.uygurnews.com/february-2026-uygur-news/)। এই অর্থনৈতিক শোষণ কেবল শ্রমিক অধিকারের লঙ্ঘন নয়, বরং এটি উইঘুরদের দরিদ্র করে তোলা এবং তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে সম্পূর্ণভাবে চীনা রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল করার এক সামগ্রিক কৌশলের অংশ।

মুসলিম উম্মাহর অবস্থান: ধর্মীয় দায়িত্ব বনাম রাজনৈতিক স্বার্থ

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর অবস্থানের মধ্যে এক তীব্র বৈপরীত্য দেখা যায়। যখন সাধারণ মুসলিম জনগণ তাদের ভাইদের সাথে সংহতি প্রকাশ করছে, তখন অনেক সরকার বেইজিংয়ের সাথে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ, বিশেষ করে "বেল্ট অ্যান্ড রোড" উদ্যোগের কারণে নীরব থাকছে অথবা কেবল নামমাত্র বিবৃতি দিচ্ছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (OIC)-এর কিছু সদস্য রাষ্ট্রের নীরবতার সমালোচনা করে একে "ভণ্ডামি" হিসেবে অভিহিত করেছে, বিশেষ করে যেহেতু এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অধিকার রক্ষার স্লোগান দেয় [Source](https://dukva.org/news-world-uyghur-congress-foundation/)। শরয়ী দায়িত্ব অনুযায়ী, ওআইসি-র উচিত উইঘুরদের রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করা, ঠিক যেমনটি তারা ফিলিস্তিন বা রোহিঙ্গা ইস্যুতে করে থাকে। কারণ এক মুসলিম অন্য মুসলিমের জন্য একটি সুদৃঢ় ইমারতের মতো, যার এক অংশ অন্য অংশকে শক্তি যোগায়।

উপসংহার: বিশ্ববিবেক ও মুসলিম বিবেকের প্রতি আহ্বান

২০২৬ সালে উইঘুরদের কণ্ঠস্বরের এই উত্থান প্রমাণ করে যে, দাবিদার থাকলে অধিকার কখনো মরে যায় না। পূর্ব তুর্কিস্তান কেবল কোনো দূরবর্তী ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং এটি মুসলিম উম্মাহর দেহের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোকে সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক ও ইসলামী মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।

দমন-পীড়ন বন্ধ করতে, বন্দিশিবিরগুলো বন্ধ করতে এবং উইঘুরদের স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে বেইজিংয়ের ওপর প্রকৃত চাপ প্রয়োগ করা আবশ্যক। ইতিহাস কাপুরুষদের ক্ষমা করবে না এবং উইঘুরদের কণ্ঠস্বর ততক্ষণ পর্যন্ত ধ্বনিত হতে থাকবে, যতক্ষণ না তারা তাদের ঐতিহাসিক ভূমিতে হারানো অধিকার ও ছিনিয়ে নেওয়া স্বাধীনতা ফিরে পায়।

**সূত্রসমূহ:** - [আল জাজিরা নেট: চীন উইঘুরদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলেও কঠোর বিধিনিষেধ বজায় রেখেছে](https://www.aljazeera.net/news/2025/2/4/%D8%A7%D9%84%D8%B5%D9%8A%D9%86-%D8%AA%D8%AE%D9%81%D9%91%D9%81-%D9%85%D9%86%D8%B4-%D8%A7%D9%84%D8%B3%D9%81%D8%B1-%D8%B9%D9%84%D9%89-%D8%A7%D9%84%D8%A5%D9%8A%D8%BA%D9%88%D8%B1) - [ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস: সাপ্তাহিক ব্রিফিং - ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬](https://www.uyghurcongress.org/en/weekly-brief-20-february-2026/) - [ক্যাম্পেইন ফর উইঘুরস: ২৬টি সংস্থার জাতিসংঘকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান](https://campaignforuyghurs.org/26-ngos-call-on-volker-turk-to-address-chinas-abuses-at-the-hrcs-61st-session/) - [উইঘুর নিউজ: ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর আপডেট](https://www.uygurnews.com/february-2026-uygur-news/) - [ইউএন নিউজ: থাইল্যান্ড থেকে উইঘুরদের প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন](https://news.un.org/ar/story/2025/02/1140131) - [হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট ২০২৬ - চীন](https://www.hrw.org/world-report/2026/country-chapters/china) - [তুর্কিস্তান টাইমস: মানবাধিকার লঙ্ঘন সূচক ২০২৫ প্রকাশ](https://turkistantimes.com/ar/news-17336.html) - [আল আরাবিয়া নেট: সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উইঘুর যোদ্ধাদের হস্তান্তরের বিষয়টি অস্বীকার করেছে](https://www.alarabiya.net/arab-and-world/syria/2025/11/17/%D8%A7%D9%84%D8%AE%D8%A7%D8%B1%D8%AC%D9%8A%D8%A9-%D8%A7%D9%84%D8%B3%D9%88%D8%B1%D9%8A%D8%A9-%D8%AA%D9%86%D9%81%D9%8A-%D8%AA%D8%B3%D9%84%D9%8A%D9%85-400-%D9%85%D9%82%D8%A7%D8%AA%D9%84-%D9%85%D9%86-%D8%A3%D9%82%D9%84%D9%8A%D8%A9-%D8%A7%D9%84%D8%A5%D9%8A%D8%BA%D9%88%D8%B1-%D8%A7%D9%84%D9%89-%D8%A7%D9%84%D8%B5%D9%8A%D9%86) - [ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস ফাউন্ডেশন: মুসলিম দেশগুলোর নীরবতার সমালোচনা](https://dukva.org/news-world-uyghur-congress-foundation/)

মন্তব্য

comments.comments (0)

Please login first

Sign in